দেশজুড়ে

স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলায় অভিনেতা আলভির রিমান্ডে

ঢাকার মিরপুরের বাড়ি থেকে স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জহের আলভিকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনি মীর বুধবার এই রিমান্ডের আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আব্দুল মালেক অভিযুক্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, জহের আলভি ইকরার ফেসবুকে অপমান ও নানা ধরনের মানসিক নির্যাতনসহ উস্কানিমূলক মন্তব্য পোস্ট করতেন। অভিযুক্ত বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও ২৭ ফেব্রুয়ারি অন্য এক নারীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে তার ফেসবুকে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন। মামলার মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতক অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও শনাক্ত এবং অভিযুক্তদের স্থায়ী ঠিকানা খুঁজে বের করতে ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।
এর আগে, গত ১৮ জুন আলভী আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানির পর ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিন জামিনের আবেদনটি খারিজ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর আগে, গত ৪ জুন ঢাকা অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে জহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ইকরাকে তার পরিবারের সদস্যরা বাড়ির সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে বাড়ির মালিক ও তার আত্মীয়রা তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পুলিশ খবর পেয়ে লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করতে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে যায় এবং বাড়ি থেকে বিভিন্ন প্রমাণ সংগ্রহ করে। সেই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান তার আত্মহত্যার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন যে, দীর্ঘদিনের “পারিবারিক বিবাদ ও নানা ধরনের নির্যাতনের” কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে “বাধ্য” হয়েছিল।