জাতীয়

সড়কমন্ত্রী কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়কের দ্রুত উন্নয়নের আশ্বাস দিয়েছেন

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করাই বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। এরই ধারাবাহিকতায় আমি আশা করি, খুব শীঘ্রই কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহাসড়কের উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি হবে। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি সদস্য মো. আবুল হাসনাতের জরুরি জনস্বার্থ নোটিশের জবাবে তিনি এই আশ্বাস দেন। মন্ত্রী বলেন, চলমান সংস্কার ও প্রশস্তকরণ কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ শীঘ্রই লাঘব করা হবে।
তিনি বলেন, মহাসড়কটিকে চার লেনে উন্নীত করার বৃহৎ প্রকল্পটি বর্তমানে বিদেশি অর্থায়নের আওতার বাইরে থাকলেও সরকার বিকল্প অর্থায়নের সন্ধান করছে। একই সাথে, ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোর সংস্কার ও উন্নয়ন কাজ জরুরি ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার দ্রুত উন্নতি করা যায়। রবিউল আলম বলেন, ৮২.৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে সরাইল পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশের প্রায় ২৮ কিলোমিটার ইতোমধ্যে চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। এখানে ধীরগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন রাখা হচ্ছে, যা সড়ক নিরাপত্তা বাড়াবে।
তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত দেবিদ্বার, কাংশনগর ও ভিংলাবাড়ি এলাকায় মোট ৮০৪ মিটার রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণের কাজ চলছে। এছাড়া, পর্যায়ক্রমিক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ময়নামতি, ফুলগাছতলা, কোম্পানিগঞ্জ, কাথেরপুল ও কুটিচৌমুহনীসহ বিভিন্ন স্থানে ১,৮৪৫ মিটার সড়ক প্রশস্ত ও আরও টেকসই ও মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার টেন্ডার মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কুমিল্লা থেকে দেবিদ্বার পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়ক ৩৪ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত করার কাজ দ্রুত শুরু করার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়েছে এবং মহাসড়কটির চূড়ান্ত নকশা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও নিরাপদ, আরামদায়ক ও গতিশীল হবে।