সাতক্ষীরায় আলমারি থেকে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার, গণধর্ষণে অভিযুক্ত নারী নিহত
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে একটি আলমারির ভেতর থেকে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা খাতুনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় নলতা ইউনিয়নের কাশিবতী গ্রামের একটি বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং হত্যার সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া সুমাইয়া খাতুন (২৫) নামের এক গৃহবধূকে ঘটনাস্থলেই পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
নিহত স্কুলছাত্রী ফারজানা কাশিবতী গ্রামের ইমামুল ইসলামের মেয়ে এবং কাজলা কাশিবতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। অন্যদিকে, গণধর্ষণে নিহত সুমাইয়া একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের স্ত্রী। জানা গেছে, তিনি স্কুলের পাশে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ৮টার দিকে ফারজানা স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় এবং আর ফেরেনি। পরে জানা যায়, সে স্কুলেও যায়নি। পরিবার পুলিশকে খবর দিলে তারা সুমাইয়ার বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে আলমারির ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, এই ঘটনায় দুটি মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

