মুদি ও প্রসাধনী দোকানকে করের আওতায় আনার পরিকল্পনা- অর্থমন্ত্রী
আগামী অর্থবছরে মুদি ও প্রসাধনী দোকানসহ এ ধরনের অন্যান্য ব্যবসা খাতকে নির্দিষ্ট করের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একই সাথে, আগামী অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, খেলাপি ঋণের টাকা বিদেশে পাচারের ক্ষেত্রে তা পুনরুদ্ধারে ৩০টি ব্যাংক উদ্যোগ নিয়েছে। ব্যাংকগুলো ৯টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানের সাথে গোপনীয়তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো খেলাপিদের নামে বিদেশে থাকা অর্থ ও সম্পদ শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।
তিনি আরও বলেন, প্রথম পর্যায়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা এবং ওরিয়ন গ্রুপ সম্পর্কিত মামলাগুলোর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা ও ওরিয়ন গ্রুপের ছয়টি মামলা দিয়ে প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছে।

