ফতুল্লায় বিস্ফোরণে বাড়ির মালিকের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জ, ফতুল্লা অগ্নিকাণ্ড: অগ্নিদগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে বাড়ির মালিক কালাম মারা গেছেন। আজ সোমবার (১১ মে) সকাল ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তার পরিবারের চার সদস্য এখনও চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
কালামের (৩৫) শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার স্ত্রী সাইমা (৩২), ছেলে মুন্না (৭) এবং দুই মেয়ে কথা (৭) ও মুন্নি (১০) একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের রেসিডেন্ট সার্জন শাওন বিন রহমান নিশ্চিত করেছেন, সাইমার ৬০ শতাংশ, মুন্নার ৩০ শতাংশ, কথার ৫২ শতাংশ এবং মুন্নির ৩৫ শতাংশ পুড়েছে।
গতকাল রবিবার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি বাড়িতে বিস্ফোরণে এই দম্পতি তাদের তিন সন্তানসহ অগ্নিদগ্ধ হন। পরে পাঁচজনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান জানান, তাঁদের ‘সংকটজনক’ অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। পেশায় সবজি বিক্রেতা কালাম তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন।
এদিকে, আজ সকালে ফতুল্লার একটি বাড়িতে বিস্ফোরণে একই পরিবারের চার সদস্য দগ্ধ হন। তাঁদেরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধরা হলেন আব্দুল কাদের (৫০) এবং তাঁর তিন ছেলে মেহেদী (১৭), শাকিব (১৬) ও তাঁর যমজ ভাই রাকিব (১৬)। আব্দুল কাদের একজন অটোরিকশা চালক। তাঁর ছেলে মেহেদী হালিম বিক্রেতা, শাকিব একটি কারখানায় কাজ করে এবং রাকিব চটপটি বিক্রি করে। তাঁদের গ্রাম চাঁদপুরের মতলব উপজেলায় অবস্থিত।

