আমাদের চট্টগ্রাম

জাহাজ ভাঙা শিল্পে কারিগরি সহায়তা দেবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম অর্থনৈতিক খাত সীতাকুণ্ড উপকূল-কেন্দ্রিক জাহাজ ভাঙা শিল্পের আধুনিকীকরণ এবং আন্তর্জাতিক মান অর্জনে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় কারিগরি ও সহায়তা দেবে সরকার। আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাহাজ ভাঙা ইয়ার্ড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের শিল্প খাতে বিদ্যমান গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এই সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। রাতারাতি গ্যাস উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। তবে, দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে সরকার একটি বিশেষ কর্মসূচি (ক্র্যাশ প্রোগ্রাম) বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে। তিনি বলেন, বর্তমান পাইপলাইন অবকাঠামোর ক্ষমতা সীমিত হওয়ায় এই মুহূর্তে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ সম্ভব নয়। শুধু আমদানির মাধ্যমে এই সংকট সমাধান করা যাবে না। তাই, সরকার দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।


জাহাজ ভাঙা শিল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার বিশ্বের জাহাজ ভাঙা শিল্পে বাংলাদেশকে শীর্ষস্থানে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। এই শিল্পে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, শ্রমিক নিরাপত্তা এবং কর্মপরিবেশ আগের তুলনায় অনেক উন্নত হয়েছে। তবে, বৈশ্বিক মান অনুযায়ী শিল্পটি পরিচালনা করতে উদ্যোক্তাদের গ্রিন সার্টিফিকেশন নিতে হবে।
পরে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় শিপইয়ার্ড মালিকরা ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট, এই শিল্প বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং এই খাতের বিভিন্ন বিদ্যমান সমস্যা তুলে ধরেন। শিল্পমন্ত্রী সীতাকুণ্ডে পিএইচপি শিপ ব্রেকিং অ্যান্ড রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজসহ আরও দুটি শিপইয়ার্ড পরিদর্শন করেন। তাঁর সঙ্গে বিএসবিআরএ সভাপতি মোহাম্মদ মহসিনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।