জাতীয়

কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করা হবে: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন যে, এ বছর আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বেসরকারি খাতে হস্তান্তর করা হবে। তিনি বলেন, সরকার বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চায়। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বন্ধ পাট কারখানাগুলো পুনরায় চালুর একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ অলস পড়ে থাকায় সেগুলো এখন দায়ে পরিণত হয়েছে, সরকার সেগুলোকে পুনরায় সম্পদে পরিণত করতে কাজ করছে। এছাড়া, নতুন বিনিয়োগের জন্য বেসরকারি খাতকে আহ্বান জানানো হয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, এ ব্যাপারে সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
তৈরি পোশাক শিল্পের রপ্তানি হ্রাসের বিষয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে পোশাক রপ্তানিতে গতি আসেনি। এছাড়া, মার্কিন শুল্কের কারণে বিশ্ব বাণিজ্যের মন্দাও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকে প্রভাবিত করছে। চলমান বৈশ্বিক সমস্যাগুলো সমাধান হলে পোশাক রপ্তানি বাড়বে।
বৃহস্পতিবার সকালে টিকে গ্রুপের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, নরসিংদীতে বাংলাদেশ জুট মিলসের ১৪.৮০ একর জমি টি কে গ্রুপকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। কোম্পানিটি এতে ১,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। এর মাধ্যমে ৩,০০০ শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর আগে একই স্থানে জুট অ্যালায়েন্সকে ৭৭ একর জমি ইজারা দেওয়া হয়েছিল।