দেশজুড়ে

যমুনার জলস্তর বাড়ায় টাঙ্গাইলে ফসলি জমি ও স্থাপনা বিলীন হচ্ছে

যমুনার জলস্তর বাড়ায় টাঙ্গাইলে নদীভাঙন বেড়েছে। যমুনার কারণে জেলার পাঁচটি উপজেলার শত শত স্থাপনা ও ফসলি জমি নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেছেন, নিম্নমানের প্রতিরোধ ব্যবস্থার কারণে দুর্ভোগ বাড়ছে। তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ড যথারীতি ভাটা রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছে।
এদিকে, গত মঙ্গলবার থেকে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সেলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া সংলগ্ন এবং ভুঁইয়াপুর উপজেলার তারাকান্দি সড়কে ভয়াবহ নদীভাঙন শুরু হয়েছে। চোখের পলকে নদীগর্ভে ঘরবাড়ি ও গাছপালা বিলীন হয়ে গেছে। ভুঁইয়াপুর-তারাকান্দি যমুনা বাঁধও হুমকির মুখে পড়েছে।
এদিকে, দিনরাত অবিরাম ভাটার কারণে জেলার পাঁচটি উপজেলার অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন, আবার কেউ কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। সর্বস্ব হারানো এই অসহায় মানুষগুলো অমানবিক জীবনযাপন করছেন, কিন্তু কোনো সাহায্য পাননি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের মান নিয়ে সাধারণ মানুষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তবে, পানি উন্নয়ন বোর্ড এই অভিযোগগুলো মানতে নারাজ। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে যমুনার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে। তবে, কোনো আশ্বাস না দিয়েই ক্ষতিগ্রস্তরা যত দ্রুত সম্ভব একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে চরের বাসিন্দাদের ভাগ্য পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।