বিবিধ

চান্দিনায় কালবৈশাখীর ঝড়ে বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু

কালবৈশাখীর ভয়াবহ ঝড়ে কুমিল্লার চান্দিনায় একটি বাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বহু গাছ ও ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। উপজেলাজুড়ে অন্তত ১০টিরও বেশি ঘর ধসে পড়েছে। হাজার হাজার গাছ মুচড়ে ও ভেঙে পড়েছে। এ সময় বজ্রপাতে নাজমা আক্তার (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।
বজ্রপাতে নিহত নাজমা আক্তার উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পূর্ব মাইজখার গ্রামের আমির হোসেনের স্ত্রী। মাইজখার গ্রামবাসী আব্দুল বাতেন জানান, জমি থেকে ধান কেটে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় মাটিতে হঠাৎ বজ্রপাতে নাজমা আক্তার মারা যান। মৃত নাজমা আক্তার এক ছেলে ও তিন মেয়ের মা।
গতকাল মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দুই ঘণ্টা স্থায়ী এই ঝড়ে উপজেলার খেত, ঘাট, ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ধ্বংস হয়ে গেছে। ঝড় শুরু হওয়ার আগেই অন্ধকার দিনের আলো প্রায় নিভিয়ে দিয়েছিল। প্রকৃতিতে এক শান্ত নিস্তব্ধতা নেমে আসে। কয়েক মিনিট পর, আকাশে মেঘের গর্জনের সাথে সাথে বাতাসের ঝাপটায় গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে। মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়।
জানা গেছে, চান্দিনা পৌরসভার তুলাওলী দাসের বাড়িতে নারায়ণ দাসের টিনের চালের বাড়ির ওপর একটি গাছ পড়ে সেটি ধসে পড়ে। বরকাইত গ্রামের সোলায়মান মিয়ার বাড়ির ওপর একটি বিশাল গাছ পড়ে।
তুলাওলী গ্রামের কানু দাস জানান, বাড়ির সামনে একটি বড় আমড়া গাছ ছিল। প্রবল ঝড়ে গাছটি বাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে মাটিতে মিশে যায়। চান্দিনা উপজেলার ইউএনও মোহাম্মদ আশরাফুল হক বলেন, ঝড়ে চান্দিনা উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা সব তালিকা প্রস্তুত করছি। বজ্রপাতে নিহতদের পরিবারের তথ্য দিয়ে সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা নেব।