জাতীয়

জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে ২০০ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪,৬০০ কোটি টাকা) সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে এশিয়া জিরো এমিশনস কমিউনিটি (এজেক) প্লাস সম্মেলনে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণকালে তিনি এই সহায়তা চান।
সরকারপ্রধান বলেন, এই সংকট আমাদের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও দুর্বলতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে। কোনো দেশই একা এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে পারে না। আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং সরবরাহ বিঘ্নের সমস্যা সমাধানে এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দূরদর্শী পদক্ষেপ প্রয়োজন।
তারেক রহমান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এই সংকটের মাত্রা ও পরিণতি ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে, যা ১৯৮০-এর দশকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে স্থবির করে দিয়েছিল।
তারিক রহমান বলেছেন যে, জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষতি করছে এবং এর প্রভাব মোকাবেলায় সরকার বেশ কিছু স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি দপ্তর ও বাজারের সময়সূচি পরিবর্তনের মাধ্যমে চাহিদা ব্যবস্থাপনা; জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি আমদানি বৃদ্ধি এবং বিকল্প উৎসের মাধ্যমে স্বাভাবিক জ্বালানি সরবরাহ বজায় রাখা; ভোক্তাদের নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি রেশনিং ও খুচরা বিক্রির সীমা নির্ধারণ; এবং মজুতদারি ও আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা রোধে ‘ফুয়েল অ্যাপ’-এর মতো উদ্যোগ।