জাতীয়

সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পত্তি নয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পত্তি নয়। তিনি পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বদা একটি উচ্চ আদর্শিক অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী আদালতে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পিলখানা ঘটনার পর আমাদের শাসনামলে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার জন্য নানা কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
তিনি বলেন, “আমরা এমন একটি সশস্ত্র বাহিনী চাই, যাকে বহিরাগত শক্তি সম্মান করবে এবং দেশের মানুষ আস্থা রাখবে। পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করে সশস্ত্র বাহিনীকে অবশ্যই সর্বদা একটি উচ্চ আদর্শিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে। রাষ্ট্রের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি স্তরে দেশপ্রেমের যে শিখা প্রজ্বলিত করেছেন, তা যেন কখনো নিভে না যায়।” তারেক রহমান আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা জনগণকে আশা যুগিয়েছে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশকে কেউ কখনো পরাজিত করতে পারবে না।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী আরও বার্তা দেন যে, তৎকালীন স্বাক্ষরিত জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বর্তমান সরকার যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করবে। তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, বিএনপি সরকার জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই সেনাবাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব।