ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আর নেই, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে যে, মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ অভিযানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। আজ রবিবার (১ মার্চ) স্থানীয় সময় সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এই খবর সম্প্রচারিত হয়।
ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে যে, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর আজ থেকে ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে, সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি, ‘মৃত’।
রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তি খামেনি মারা গেছেন। খামেনি এবং তার রক্তপিপাসু বাহিনীর হাতে নিহত বা ‘বিকৃত’ হওয়া অসংখ্য আমেরিকান এবং বিশ্বের মানুষের জন্য আজ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’
পোস্টে তিনি আরও বলেন যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজর এড়াতে পারেননি। আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে খামেনি এবং তার সাথে থাকা অন্যান্য শীর্ষ নেতাদের পালানোর কোনও সুযোগ ছিল না। ইরানের জনগণের এখন তাদের দেশ ফিরিয়ে আনার সুযোগ রয়েছে।
পোস্টে ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), সেনাবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর অনেক সদস্য আর যুদ্ধ করতে চান না। পরিবর্তে, তারা আমেরিকার কাছে দায়মুক্তির জন্য প্রার্থনা করছেন। তিনি বলেন, “গত রাতে আমি বলেছিলাম, যদি তারা এখন এটি চায়, তবে তারা দায়মুক্তি পাবে, কিন্তু যদি তারা বিলম্ব করে, তবে তাদের কপালে নিশ্চিত মৃত্যু রয়েছে।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্ধৃতি দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স, সিএনএন এবং বিবিসি নিউজ একই সাথে দাবি করছে যে তিনি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। এদিকে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। খামেনির পরিবারের সদস্যরা কোথায় বা কীভাবে মারা গেছেন সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

