শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহত: ঝিনাইগাতীতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত
শেরপুরে জামায়াত ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে বেশ কয়েকটি সংঘর্ষ জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যার পর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারী) এলাকাটি নীরব ছিল। রাস্তাঘাট ছিল ফাঁকা। লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম। যানবাহন চলাচল সীমিত ছিল।
এর আগে, গতকাল বুধবার (২৮ জানুয়ারী) শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হন। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ১০টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। পরে দাফন করা হবে। এদিকে, শেরপুরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যার প্রতিবাদে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং জামালপুরেও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রাতে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে শহীদ আবু সাঈদ স্কয়ার পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। সেখান থেকে মিছিলটি পূর্বের স্থানে ফিরে এসে শেষ হয়। এ সময় সংঘর্ষে নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয় মিছিলকারীরা। এছাড়াও, জামায়াতপুর শহরের সকাল বাজার এলাকা থেকে একটি মিছিল শুরু হয়ে তমালতলা মোড়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা খুনিদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

