বিএনপি থেকে দলত্যাগী নেতাদের ঢল নেমেছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের জন্য বিএনপি জোট থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা মনির হোসেন কাশেমীকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। এর পরপরই তিনি বিতর্কিত ও ফ্যাসিস্ট নেতাদের সাথে জোট গঠন করেন। এর ফলে ফতুল্লার ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র জনতা এবং বিএনপি থানার ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে মনির হোসেন কাশেমীর গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।
বিএনপি নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে, ফ্যাসিবাদী ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের সাথে জোট গঠন করায় বিএনপির একটি বড় অংশ মনির হোসেন কাশেমীকে মেনে নিতে পারছে না। এর মধ্যে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনও তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।
বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এবং বিএনপির নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম। এছাড়াও, বিএনপির নামে মনোনয়ন কিনেছেন মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, পরে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে, মনির হোসেন কাশেমী যাদের সাথে জোট গঠন করেছিলেন তাদের মধ্যে মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সম্পাদক। তিনি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের গডফাদার শামীম ওসমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র জনতার উপর হামলার ঘটনায় ফেরদাউসুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলাও রয়েছে।

