ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ভূমিধস ও বন্যার অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। ভয়াবহ দুর্যোগে ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন অঞ্চলে জলস্তর আরও বেড়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, থাইল্যান্ডে মৃতের সংখ্যা ১৬০ জন। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কায় এই সংখ্যা ১৫৩ জনে দাঁড়িয়েছে।
মূলত, কিছু দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি দেখলে বোঝার উপায় নেই যে কয়েকদিন আগেও সেখানে কিছু এলাকা ছিল। টানা বৃষ্টিপাত এবং আকস্মিক বন্যার কারণে ভূমিধসের কারণে অনেক গ্রাম কাদার তলায় ডুবে গেছে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, উদ্ধার কাজ তো দূরের কথা, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের এখান থেকে বের হওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে।
দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা। পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি সংকটজনক তাপানুলি তেঙ্গাহ এলাকায়। এখানকার বেশিরভাগ এলাকা কাদার তলায় ডুবে গেছে। এদিকে, থাইল্যান্ডে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। তিনশ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় দেশটি বিধ্বস্ত হয়েছে। বন্যার তীব্রতায় বিভিন্ন পর্যটন এলাকা ভেসে গেছে। সাংখলা প্রদেশে পরিস্থিতির সবচেয়ে অবনতি হয়েছে। রাস্তাঘাট ভেঙে পড়ায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ারার প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রায় ১,৫০,০০০ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। প্রায় ৩,০০০ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রীলঙ্কা সরকার আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চেয়েছে। মালয়েশিয়ায়ও বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

