দেশজুড়ে

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে

হিমালয়ের কন্যা হিসেবে পরিচিত উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা বরফাবৃত বাতাসের কারণে পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা আরও তীব্র হচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে জনজীবনে। আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০-১২ কিলোমিটার এবং গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ে গেছে আশেপাশের এলাকা। বেলা বাড়ার সাথে সাথে গত ৭ দিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। জেলার পুরো আকাশ মেঘলা। তাপমাত্রার ওঠানামার কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন পরিশ্রমী ও খেটে খাওয়া মানুষ। অনেকেই কাজের সন্ধানে বাড়ি ছেড়েছেন, কিন্তু সময়মতো কাজে যোগ দিতে পারছেন না। সদর উপজেলার কায়েতপাড়া এলাকার ট্রাক্টর চালক জব্বার হোসেন বলেন, সকাল থেকেই প্রচুর কুয়াশা এবং জমি চাষ করতে গেলে বেশিদূর দেখা যায় না। বাতাসের কারণে ঠান্ডা আরও বেশি অনুভূত হয়।
একই এলাকার কৃষক রাজু বলেন, “আমি ভুট্টা ও গম চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছি, কিন্তু ঠান্ডা ও বাতাসে ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। ঠান্ডায় আমার হাত-পা কাঁপতে থাকে, যার ফলে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে।” এদিকে, পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শিশু ও প্রাপ্তবয়স্করা ঠান্ডা, জ্বর, সর্দি এবং কাশিতে ভুগছেন। এদিকে, তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, “যদিও তাপমাত্রা বেড়েছে, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করবে।”