রাজনীতি

জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে উন্নয়নই হবে মূল লক্ষ্য: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, এই সুযোগটি কাজে লাগানোর সময় এসেছে একটি গণতান্ত্রিক ও জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই মন্তব্য করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জন্য বিএনপি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে। এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “তারা আমাকে আবারও এই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ দিয়েছেন, যার জন্য আমি তাদের প্রতি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, ‘আমি পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ; আমি এই অঞ্চলের মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়েছি। যদি জনগণের ভালোবাসায় নির্বাচিত হতে পারি, তাহলে ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করব।’ তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকার সামাজিক পরিবেশের উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়ন, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেবেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উপরও তিনি গুরুত্বারোপ করবেন বলেও আশ্বাস দেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট দেবেন।’
মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মোট ২৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনে , ঠাকুরগাঁও-২ আসনে ১০জন এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ১১জন।