এবার খুলনায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো সম্পর্কে আপত্তিকর ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে খুলনায় ধর্মীয় বক্তা ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারী) সকালে খুলনা মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটের সোনাডাঙ্গা প্রশাসনিক আদালতে মামলাটি দায়ের করেন খুলনা মহানগর সভাপতি ও আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল সোসাইটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।
মামলার বিবৃতিতে কুষ্টিয়া জেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের দবিরা ভিটার বাসিন্দা মুফতি আমির হামজাকে একমাত্র আসামি হিসেবে নামকরণ করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়েছে পাঁচজনকে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৬ জানুয়ারী খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন সিএন্ডবি কলোনীতে অবস্থিত আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল সোসাইটির অফিসে থাকাকালীন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অভিযুক্তের বক্তৃতার একটি ভিডিও ফাঁস হয়। ওই বক্তৃতায় প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর নাম জনসমক্ষে ব্যঙ্গ ও অপমান করা হয়েছিল, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।
বাদী অভিযোগ করেছেন যে, ওই বক্তৃতার মাধ্যমে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো, তার পরিবার, বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল সোসাইটির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের চরমভাবে মানহানি করা হয়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সমাজের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সাংগঠনিকভাবে আলোচনা করার পর, ন্যায়বিচারের আশায় কিছুটা বিলম্বে আদালতের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন বাদী। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে যে, মামলার পক্ষে প্রত্যক্ষদর্শী এবং প্রাসঙ্গিক প্রমাণ রয়েছে। দণ্ডবিধির ৫০০ ধারার অধীনে মামলাটি আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার অনুরোধ করা হয়েছে।
বাদীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. বাবুল হাওলাদার মামলাটি দায়ের করেন। তিনি বলেন, “সোনাডাঙ্গা প্রশাসনিক আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান খান মামলাটি আমলে নিয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।” এর আগে গতকাল রবিবার (১৮ জানুয়ারী) একই অভিযোগে কুষ্টিয়া আদালতে মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান চৌধুরী শিহাব।

