অভিযোগ: পলাতক আ.লীগ নেতাদের মাধ্যমে চলছে পণ্য পাচার নিয়ন্ত্রণ
চট্টগ্রাম ইপিজেড (সিইপিজেড) ও কর্ণফুলী ইপিজেড (কেইপিজেড) থেকে পণ্য পাচার এখনো অব্যাহত রয়েছে। পলাতক স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের মদদে একটি সিন্ডিকেট এ কাজে জড়িত।
কীভাবে পাচার হয়:
• ঝুট ও ভাঙারি মালভর্তি গাড়ির আড়ালে শুল্কমুক্ত পোশাক, জুতা, যন্ত্রাংশসহ নানা পণ্য বাইরে আনা হয়।
• এসব পণ্য পরে ঢাকা-চট্টগ্রামের বড় বাজার ও ফুটপাতে বিক্রি হয়।
কে জড়িত:
• আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল হক সুমন, যুবলীগ নেতা দেবাশিস পাল দেবু, শাহিন চৌধুরী, শাহেদ চৌধুরী রবিনসহ কয়েকজন।
• পাচারে জড়িত কারখানা: জে জে মিলস, প্রিমিয়ার ১৮৮৮, সেকশন সেভেন অ্যাপারেলস, এমএনসি অ্যাপারেলস, মেরিমো, ক্যান পার্ক, রিজেন্সি, প্যাসিফিক ক্যাজুয়াল, এমজেডএম টেক্সটাইল।
কারা সুবিধা নিচ্ছে:
• ইপিজেড থানা পুলিশ, কাস্টমস কর্মকর্তা ও বেপজার নিরাপত্তাকর্মীরা নিয়মিত টাকা ভাগাভাগি করে।
• প্রতিটি গাড়ি থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা তোলা হয় (যেমন ঝুট গাড়ি থেকে পুলিশ ৩০০ টাকা, কাস্টমস ৮০০ টাকা ইত্যাদি)।
সরকারি ক্ষতি ও ঝুঁকি:
• শুল্ক ফাঁকির কারণে সরকারের রাজস্ব হারাচ্ছে।
• দুর্বৃত্তদের প্রভাব বাড়ছে, যেকোনো সময় সংঘর্ষের ঝুঁকি।
সুপারিশ:
১. জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া
২. গাড়ি তল্লাশি জোরদার করা
৩. আউটগেটে ওজন মাপার স্কেল বসানো
সিইপিজেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং ট্রাক আটক করে কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে সিন্ডিকেটের বড় অংশই বিদেশে পলাতক।

